Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

ক্রমিক নং

সেবার নাম

সেবা গৃহিতা

সেবা প্রাপ্তির জন্য করণীয়

সেবা প্রদান কারীর করণীয়

কার্য সম্পাদণের

সময় সীমা

০১

 

 

 

 

 

০২

 

 

 

 

 

০৩

 

 

 

 

 

০৪

 

 

 

সিটিজেন চার্টার

১৯৫০সালেররাষ্ট্রীয়অধিগ্রহণওপ্রজাস্বত্বআইনেরঅধীনপ্রণীতপ্রজাস্বত্ববিধিমালা১৯৫৫এরবিধানঅনুসারেভূমিরেকর্ডওজরিপঅধিদপ্তরেরকাজসমূহস্তরভিত্তিকসম্পাদিত রেকর্ড প্রণয়ন ও নকসা প্রস্তত কাজে নিয়োজিত অধিদপ্তরের কর্মচারীর সাথে সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প অফিসে অথবা উপজেলায় অবস্থিত সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের কার্যালয়ে সরাসরি যোগাযোগ করে ভূমি মালিকগণ কাক্ষিত রেকর্ড করতে পারবেন।নিম্ন বর্ণিত কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ জরিপের স্তরসমুহে যথাযত ভাবে রেকর্ড প্রদানে নিয়োজিত রয়েছে।

সেবার ধরণ,বিবরণ ও ভূমি মালিকের করণীয়

সেবা প্রদানে নিয়োজিত কর্মকর্ত/কর্মচারী

জরিপ শুরু করার পূর্বে সেটেলমেন্ট অফিসার স্তানীয় প্রশাসনসহ ভূমি মালিকগনকে অবহিত করে জরিপ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করেন।এ কাজে মাইকিং ও পত্রিকায় বিজ্ঞাপনসহ ব্যাপক জনসংযোগ করা হয়। জরিপ বিজ্ঞপ্তি ঘোষনার পর পরই, ভূমি মালিগণকে জরিপের প্রস্ততিমুলক কাজ হিসাবে নিজ নিজ জমির আইল/সীমানা সঠিক ভাবে চিহ্নিত করে রাখতে হবে।

সেটেলমেন্ট অফিসার/সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

কোন মেৌজার নকসা সম্পুর্ণ নতুন করে প্রস্তত করতে সরেজমিনের সাথে সঙ্গতি রেখে একটি নিদিষ্ট স্কেলে প্রাথমিক ভাবে নকশা প্রস্ততের যে কাঠামো স্থাপন করা হয়, সেটাই ট্রাভার্স। ট্রাভার্সের উপর ভিত্তি করে পি-৭০ সীটের মাধ্যমে মেৌজার নকশা প্রস্তত করা হয়। কোন মেৌজার পুরোনো নকশা, অর্থাৎ ব্লু-প্রিন্ট সীটের উপর জরিপ করার ক্ষেত্রে ট্রাভার্স করা হয় না। এ স্তরে জরিপ কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সাথে ভূমি মালিকগণকে যোগাযোগের তেমন কোন প্রয়োজন নাই। তবে ভূমি মালিকগন জমির আইল/সীমানা চিহ্নিত করে রাখবেন।

ট্রাভার্স ক্যাম্প কর্মকর্তা/ট্রাভার্স সার্ভেয়ার

স্তরের নাম

সেবার ধরণ,বিবরণ ও ভূমি মালিকের করণীয়

সেবা প্রদানে নিয়োজিত কর্মকর্ত/কর্মচারী

খানা পুরী

এই স্তরে আমিন দল ভূমি মালিকগন কতৃক চিহ্নিত আইল/সীমানা অনুজায়ী প্রতি খন্ড জমি পরিমাপ করে মেৌজার নকশা অংকন কিস্তোয়ার অথবা ব্লু-প্রিন্টে পুরোনো নকশা সংশোধন করেন।অনেকের ধারনা যে জরিপ কর্মচারীগণ জমির সিমানা ঠিক করে দেন। এ ধারনাটি সটিক নয়। প্রকৃত পক্ষে জরিপ কর্মচারীগণ বিদ্যমান সীমানা অনুজায়ী নকশা প্রস্তত করেন।কিস্তোয়ার স্তরে অন্কিত নকশার প্রত্যেকটি দাগে সরেজমিনে উপস্থিত হযে আমিনদল জমির দাগ নম্বর দিবেন এবং মালিকের রেকর্ড, দলিলপত্র ও দখল যাঁচাই করে প্রাথমিক ভাবে মলিকের নাম,ঠিকানা ও অন্যান্য প্রয়োজনিয় তথ্য খতিয়ানে লিপিবদ্ধ (খানাপুরী) করেন। এ স্তরে ভূমি মালিকদের প্রধান কাজ হচ্ছে যথাসময়ে নিজে জমিতে উপস্থিত হয়ে আমিনকে জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত প্রমাণাদি উপস্থাপন করে খতিয়ানে ঐসব তথ্য লিপিবদ্ধ করানো।

সরদার আমিন,হল্কা অফিসার বা কানুনগো, ক্যাডাস্টাল সার্কেল অফিসার

বুঝারত

 

 

 

 

 

বুঝারত অর্থ জমি বুঝিয়ে দেয়া। নতুন আমিন দল কর্তৃক থতিয়ান বা পর্চা জমির পরিমাণ উল্লেখ করে বিনা মূল্যে উক্ত পর্চা জমির মলিককে সরবরাহ(বুঝারত) করা হয়, যা ‌“মাঠ পর্চ’’ নামে পরিচিত।পর্চা বিতরনের তারিখটি পূর্বেই নোটিশ/পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচার/এলাকায় মাইকিং এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়। পর্চা বিতরনের নির্ধারিত তারিখে ভূমি মালিকগণ নিজে উপস্থিত থেকে জরিপ কর্মচারীগণের নিকট থেকে পর্চা সংগ্রহ করবেন।ভূমি মালিকগণ পর্চার সঠিকতা যাঁচাই করে দেখবেন এবং প্রাপ্ত পর্চার ভুলভ্রান্তি সংশোধন বা পরিবর্তন আবশ্যক হলে নিদিষ্ট বিবাদ(Dispute)ফরম পূরণ করে তা আমিনের নিকট জমা দিবেন।হল্কা অফিসার সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের শুনানীর মাধ্যমে দ্রুত ঐ সকল বিবাদ নিষ্পত্তি করবেন। খানাপুরী স্তরে কোন কারণে মালিকের নাম,ঠিকানা ও অন্যান্য প্রয়োজণীয় তথ্য খতিয়ানে রেকর্ডভূক্ত হয়নি এমন ভূমি মালিকগণ  বুঝারত স্তরে হল্কা অফিসারের নিকট আবেদনক্রমে ঐ সকল তথ্য রেকর্ড করার সুযোগ পাবেন।ভূমি মলিকগণকে মনে রাখতে হবে মাঠ পর্যায়ে সরেজমিন রেকর্ড করার এটাই শেষ সুযোগ। এর পরেও রেকর্ড সংশোধন/প্রণয়নের সুযোগ থাকলেও তা হবে অপেক্ষাকৃত দূরবর্তী কোন ক্যাম্প অফিসে, যা জটিল ও যথেষ্ট

সময় সাপেক্ষ।

 

সরদার আমিন,হল্কা অফিসার বা কানুনগো ক্যাডাস্টাল সার্কেল অফিসার

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

০৫

 

 

 

 

 

০৬

 

 

 

 

 

০৭

 

 

 

 

 

০৮

 

 

 

 

 

০৯

 

 

 

 

 

১০